Biography of Alhaj Md Ghulam Hussain

 

 

Ghulam Hussain NBR Kachua

 

Alhaj Md Ghulam Hussain assumed the charge of Chairman, National Board of Revenue (NBR) on 29 October 2012.

Prior to this position, he served as the Secretary, Ministry of Commerce, Additional Secretary, Ministry of Home affairs and Joint Secretary, Ministry of Commerce. Hussain did his Masters in Social Science from the University of Dhaka.

Thereafter, he joined the Bangladesh Civil Service in 1983 (BCS 1982 regular batch) as Assistant Commissioner (Customs & Excise). In the service he has undergone various important training programs both in home and abroad.

A pro-people professional bureaucrat, Alhaj Md Ghulam Hussain, has extensive and diverse experience in serving various areas in the public sectors.

Importantly, he was a consultant (2006-2008) in Export Diversification Project of International Trade Centre (ITC, Geneva), founder CEO (Coordinator) of the Business Promotion Council formed under the auspices of Ministry of Commerce (2003-2006).

He also served as the Commercial Counselor in Bangladesh Embassy, Washington D.C (USA 1998-2003), Director, Prime Ministers Office (1996-1998).He served the Customs, Excise and VAT department under different capacities during 1983-1996.

During his long service career, Mr. Alhaj md Ghulam Hussain was engaged in different special assignments like member-secretary of the Bangladesh Rifles (BDR) Mutiny Probe Committee constituted by the government, Chairperson of the Jail Irregularities Inquiry Committee and Chairperson of the Probe Committee to investigate the untoward incidents happened to capture the office of Water Transport Coordination Cell Office (WTCC) in Chittagong.

Government also assigned him to chair the session on “Trade Facilitation-Cross Border Trade” a seminar organized by ESCAP in Bangkok, Thailand (2005).He got the opportunity to attend the trade negotiation round in WTO Ministerial Conference, and led the trade mission to Russia, Germany, Belarus, Thailand, Vietnam and China.

Mr Ghulam hussain NBR chairman (former) always stood by the people of kachua.


আলহাজ্ব মোঃ গোলাম হোসেন

 

চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার ১০ নং ইউনিয়নের অন্তর্গত ২ নং ওয়ার্ডের হাসিমপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহি সম্ভ্রান্ত মিয়া পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর বাবা বনেদি ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ রফিউদ্দিন মিয়া ও মাতা বেগম জিন্নাতেন্নেছা।

৫ ভাই ও ৪ বোনের মধ্যে জনাব হোসেনের স্থান ৫ম । তাঁর বড় ভাই জনাব মোঃ গোলাম সারোয়ার বিসিএস (খাদ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা যিনি খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসাবে অবসর নেন।

ছোট ভাই ডাঃ গোলাম মাওলা নঈম পেশায় একজন চিকিৎসক। দুই ভাই সুপ্রতিষ্ঠিত পারিবারিক ব্যবসার সংগে সম্পৃক্ত।

ব্যক্তি জীবনে তিনি ২ পুত্র ও ১ কন্যা সন্তানের জনক। তাঁর স্ত্রী শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা জাকিয়া সুলতানা দেশের প্রখ্যাত লোক সাহিত্য বিশারদ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ ড. মোঃ মনসুরউদ্দীন এর কনিষ্ঠ কন্যা।

আলহাজ্ব মোঃ গোলাম হোসেনের বাল্যকাল গ্রামের বাড়িতে কাটে। তিনি হাসিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন ও বুরগী হাই স্কুলে কিছুদিন পড়ালেখার পর ঐতিহ্যবাহী হাজীগঞ্জ পাইলট স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হন।

এখান থেকে কৃতিত্বের সাথে মেধাবৃত্তি নিয়ে এসএসসি এবং পরবর্তীতে চাঁদপুর সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী নেন।

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী ও পেশাদার আমলা হিসেবে তাঁর জনসাধারণের জন্য বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন এলাকায় সেবা করার ক্ষেত্রে ব্যাপক ও বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা রয়েছে।

১৯৮৩ সালে সরকারী চাকুরীতে (BCS ১৯৮২নিয়মিত ব্যাচ) যোগদানের আগে তিনি ডানিডা (DANIDA), ইউএসএইড (US AID) ও ফোর্ড ফাউন্ডেশনের (FORD FOUNDATION) পরামর্শক/অর্থনীতিবিদ হিসাবে কাজ করেন।

তিনি BCS ১৯৮২ (নিয়মিত ব্যাচ) সহকারী কমিশনার (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) হিসাবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন। এই পদে কমর্রত অবস্হায় তিনি দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচী পরিচালনা করেছেন। শুল্ক ক্যাডারের বিভিন্ন পদে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পদস্থ ছিলেন।

১৯৮৩-১৯৮৬ সাল সময়ে আবগারি, শুল্ক ও কর -এর বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন।

এখানেও তিনি দক্ষতার ও সাফল্যর পরিচয় দেন ।

১৯৯৬ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের পরিচালক হিসাবে যোগদান করেন। তিনি ১৯৯৮-২০০৩ সময়কালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৩ সালে দেশে ফিরে এসে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। ২০০৩-২০০৪ এবং ২০০৫-২০০৬ সময়কালে যথাক্রমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে উপ সচিব ও যুগ্ম সচিব হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ২০০৫ সালে এ এসকাপ(ESCAP) দ্বারা আয়োজিত সেমিনারে “ট্রেড ফ্যাসিলিটেশন-ক্রস বর্ডার ট্রেড” সেশনে সভাপতিত্ব করার জন্য সরকার তাঁকে নিয়োগ প্রদান দেয়। তিনি ডব্লিউটিও(WTO) এর মন্ত্রীসভা সম্মেলনে বাণিজ্য আলোচনায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান এবং রাশিয়া, জার্মানি, বেলারুশ, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম এবং চীনে বাণিজ্য মিশনের নেতৃত্ব দেন।

তিনি ২০০৬-২০০৮ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র ( ITC, GENEVA) এর রপ্তানি বৈচিত্র্যকরণ প্রকল্পের একজন পরামর্শদাতা এবং (২০০৩-২০০৬) সালে সহায়তাকারী ব্যবসায়িক প্রচার পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা নিবার্হী পরিচালক (সমন্বয়কারী) হিসেবে ছিলেন।

২০০৭-২০০৮ সময়কালে তিনি লিয়েনে ইউএনডিপিতে পরামর্শক, ২০০৮ সালের শেষ দিকে তিনি জাতীয় পরিচয়পত্র অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান হিসাবে কাজ করেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের অব্যবহিত পরপরই তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব হিসাবে নিয়োগ পান।

তাঁর উপর অর্পিত রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ হিসাবে তিনি ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সংগঠিত ইতিহাসের বর্বরতম বিডিআর বিদ্রোহ অত্যন্ত সাহসিকতা ও দেশাত্ববোধের সাথে নিয়ন্ত্রন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থা অর্জন করেন।

অধিকন্তু বিডিআর বিদ্রোহের (Bangladesh Rifles revolt – BDR mutiny) উপর গঠিত সরকারী তদন্ত কমিটির সদস্য-সচিব ও বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করনের মত অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়ে গঠিত কমিটিকে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।

জানুয়ারি ২০১০ সালে তিনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসাবে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা বিষয়ক আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অংগীকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

তিনি ২০১২ সালের অক্টোবরে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব  বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। মো:গোলাম হোসেন ২৯শে অক্টোবর ২০১২ তারিখে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR Chairman) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি অবসর গ্রহন করেন।

ghulam hussain Infrastructure Investment Facilitation Company

Infrastructure Investment Facilitation Company

বর্তমানে তিনি আই. আই.এফ.সি (IIFC – Infrastructure Investment Facilitation Company) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।

View Profile Of Ghualm Hussain – Managing Director of IIFC & Former Secretary and Chairman NBR

সুদীর্ঘ কর্ম জীবনে জনাব মো: গোলাম হোসেন পৃথিবীর প্রায় ষাটটির বেশি দেশে প্রশিক্ষণ, সভা, সেমিনার, কর্মশালায় অংশ গ্রহন করেন এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে সুনাম অর্জন করেন।

তিনি রাজস্ব  বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের এ যাবৎ কালের সর্ববৃহৎ প্রকল্প পদ্মা সেতু জাতীয় অর্থায়নে নির্মানের মতো ঐতিহাসিক কাজে সরকারকে অনুপ্রাণিত করেন। আলহাজ্ব মোঃ গোলাম হোসেন ছাত্রজীবন থেকেই দেশ ও সমাজের সুবিধা বঞ্চিত, অবহেলিত মানুষের প্রতি অত্যন্ত দায়িত্ববান ছিলেন।

ছাত্র জীবনে ১৯৬৮ সালে সেবামূলক সংগঠন ‘সবুজ সংগের’ মাধ্যমে তিনি সেবামূলক কাজে আত্বনিয়োগ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শেষে ১৯৭৯ সালে তিনি পাশ্ববর্তী গ্রাম হারিচাইল ও নিজ গ্রাম হাসিমপুরে ফিডার স্কুল স্থাপনের মাধ্যমে এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে অনন্য নজির স্থাপন করেছিলেন।

ফিডার স্কুলের আলোচ্য মডেল অনেক এনজিও পরবর্তীতে মডেল হিসাবে গ্রহন করে।

তখনই তিনি নিজের উপার্জিত অর্থ থেকে অত্র স্কুলের শিক্ষকদের সম্মানী দিতেন। নিস্বার্থ সমাজকর্মের ধারাবাহিকতায় তিনি তাঁর পিতা ও চাচার নামে হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন। এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার্থে ১৯৮৮ সালে তিনি তাঁর প্রয়াত দাদীর নামে সম্পর্ণ  পারিবারিক অর্থে ‘ফয়জুন্নেছা দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র’ স্থাপন করেন।

কিছু ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হাসপাতালের জন্য বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ করতো । ১৯৯২ – ১৯৯৩ সালে এটি একটি সম্পূর্ণ ২0 -বিছানা হাসপাতাল হয়ে ওঠে । অন্যান্য সুশীলদের সাহায্য ও দান দিয়ে এবং জাকাত তহবিল এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছিলো ‘ফয়জুন্নেছা দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্র’|

এই দাতব্য চিকিৎসা কেন্দ্রটি বর্তমানে আধুনিক ডিজিটালাইজড্ হাসপাতালে রুপান্তরিত হয়ে ‘ফয়জুন্নেছা হসপাতাল‘ নাম এ, নামমাত্র খরচে অলাভজনক সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে কচুয়া বাসীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে।

শিক্ষা বিস্তারে জনাব মোঃ গোলাম হোসেন তাঁর ভূমিকার অংশ হিসাবে কচুয়ার গ্রামীন রক্ষণশীল সমাজের মেয়েদের উচ্চ শিক্ষা প্রদানার্থে ড. মুনসুরউদ্দীন মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠায় তিনি অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। উপ-মহাদেশের লোক সাহিত্যচর্চার ভোরের পাখি হিসাবে খ্যাত-শিক্ষক, কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, লোকগীতি সংগ্রাহক ড. মোঃ মনসুরউদ্দীনের প্রতি জাতির কৃতজ্ঞতা প্রকাশার্থে তিনি অত্র কলেজের নামকরন করেন।

উল্লেখ্য ড. মনসুর উদ্দীন মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠার পর ২০০৯ সাল থেকে অনুষ্ঠিত সকল পরীক্ষায় অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীরা শতভাগ উত্তীর্ণ হওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়ে আসছে। ইতোমধ্যে কলেজটি দেশের অন্যতম শীর্ষ বিদ্যাপীঠে পরিণত হয়েছে।

জনাব মোঃ গোলাম হোসেন আশ্রয়হীন হতদরিদ্রদের আবাসনের জন্য ‘অগ্রসর আবাসন প্রকল্প’এর মাধ্যমে কচুয়ায় গৃহহীনের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন।

তাছাড়াও তিনি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসাবে গরীব ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য বৃত্তি, গরীব ও দুস্থদের জন্য চিকিৎসা ফান্ড সৃষ্টি, অগ্রসর মা ও শিশু পাঠাগার, ড. মনসুরউদ্দীন স্মৃতি পাঠাগারের ন্যায় অনেক সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠাতা।

ছাত্রজীবনে আলহাজ্ব মোঃ গোলাম হোসেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জ্বীবিত একজন সক্রিয় ছাত্রলীগ কর্মী ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগের প্রতি ছাত্রজীবন থেকে লালিত অনুরাগের কারণে তিনি কর্মজীবন শেষে বর্তমানে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সক্রিয় রাজনীতিতে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি দেশরত্ম শেখ হাসিনার একান্ত অনুগত কর্মী।

তিনি যুগোপযোগী অর্থাৎ পারস্পরিক মর্যাদাবোধের রাজনীতির মাধ্যমে কচুয়ার সামাজিক প্রেক্ষাপটে গুনগত উন্নয়নে বিশ্বাসী।

 

Scroll to Top